উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে হাজির করানো হয়েছে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীর বয়স ৮-৯ বছর। পরিবারের অভিযোগ, ক্লাস চলাকালীন শিক্ষক ছাত্রীটিকে পাশের একটি ফাঁকা ক্লাসঘরে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয় এবং যৌনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ছাত্রীর পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় সে চিৎকার-চেঁচামেচি করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারেন। তবে ঘটনাটি জানার পরও বিষয়টি লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের।
অভিযোগ, ওই শিক্ষক স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন, বকাবকি করায় ছাত্রী কান্নাকাটি করছিল। তাই তাকে অন্য ঘরে নিয়ে গিয়ে আদর করে বোঝাচ্ছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, স্কুলের তরফে প্রথমে তাঁদেরও এমনটাই জানানো হয়েছিল।
ছাত্রী বাড়ি ফিরে বাবা-মাকে পুরো ঘটনা জানায়। পরে তার সহপাঠীদের কাছ থেকেও বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই বাগদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।
ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘‘প্রথমে স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, শিক্ষক ছাত্রীকে আদর করেছিলেন এবং সেই কারণে সে কান্নাকাটি করছিল। আমরা বিস্তারিত জেনে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি।’’
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অন্য দিকে, স্কুলের প্রধানশিক্ষক জানিয়েছেন, পুলিশ এই বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে তিনি জবাব দেবেন। এর বাইরে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
অভিযুক্ত শিক্ষক অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীর বয়স ৮-৯ বছর। পরিবারের অভিযোগ, ক্লাস চলাকালীন শিক্ষক ছাত্রীটিকে পাশের একটি ফাঁকা ক্লাসঘরে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয় এবং যৌনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ছাত্রীর পরিবারের দাবি, ঘটনার সময় সে চিৎকার-চেঁচামেচি করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পারেন। তবে ঘটনাটি জানার পরও বিষয়টি লঘু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের।
অভিযোগ, ওই শিক্ষক স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন, বকাবকি করায় ছাত্রী কান্নাকাটি করছিল। তাই তাকে অন্য ঘরে নিয়ে গিয়ে আদর করে বোঝাচ্ছিলেন তিনি। পরিবারের দাবি, স্কুলের তরফে প্রথমে তাঁদেরও এমনটাই জানানো হয়েছিল।
ছাত্রী বাড়ি ফিরে বাবা-মাকে পুরো ঘটনা জানায়। পরে তার সহপাঠীদের কাছ থেকেও বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপরই বাগদা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে।
ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘‘প্রথমে স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, শিক্ষক ছাত্রীকে আদর করেছিলেন এবং সেই কারণে সে কান্নাকাটি করছিল। আমরা বিস্তারিত জেনে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি।’’
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অন্য দিকে, স্কুলের প্রধানশিক্ষক জানিয়েছেন, পুলিশ এই বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে তিনি জবাব দেবেন। এর বাইরে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
অভিযুক্ত শিক্ষক অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক